ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম, ফরম ও খরচ (সম্পূর্ণ গাইড)
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রক্রিয়া। অনেক সময় নামের বানান ভুল,
জন্মতারিখের অসঙ্গতি, পিতার বা মাতার নাম ভুল, ঠিকানা পরিবর্তন কিংবা ছবি আপডেট করার প্রয়োজন হয়।
এই আর্টিকেলে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন সংক্রান্ত সব তথ্য সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন কি?
ভোটার আইডি কার্ডে থাকা ভুল বা পুরোনো তথ্য পরিবর্তন বা হালনাগাদ করার সরকারি প্রক্রিয়াকেই
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন বলা হয়।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে?
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
- জন্ম নিবন্ধন সনদ
- শিক্ষাগত সনদ (যদি প্রযোজ্য হয়)
- পিতামাতা বা অভিভাবকের NID কপি
- প্রাসঙ্গিক প্রমাণপত্র
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে?
ভুলের ধরন অনুযায়ী ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনে সরকারি নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য হতে পারে।
সাধারণত এটি খুবই স্বল্প পরিমাণ।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফরম ২
নাম, জন্মতারিখ ও মৌলিক তথ্য সংশোধনের জন্য সাধারণত ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফরম ২ ব্যবহার করা হয়।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফরম ১৩
ছবি, স্বাক্ষর বা বিশেষ তথ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ফরম ১৩ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে?
সাধারণত আবেদন করার পর ১৫ থেকে ৩০ কার্যদিবস এর মধ্যে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের কাজ সম্পন্ন হয়।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায় অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে সরাসরি গিয়ে আবেদন করা যায়।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন আবেদন চেক করার উপায়
আবেদন করার পর নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে অথবা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে সংশোধনের স্ট্যাটাস চেক করা যায়।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন হয়েছে কিনা কিভাবে দেখবো?
NID নম্বর ব্যবহার করে নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে লগইন করলে সহজেই জানা যায় ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন সম্পন্ন হয়েছে কিনা।